আজ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

স্বতন্ত্ররা জোট করলে কপাল পুড়বে জাপার

(আজকের দিনকাল):দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে ২২২টি আসন পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এরপর সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬২টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আর একাদশ সংসদে প্রধান বিরোধী দল থাকা জাতীয় পার্টি (জাপা) জয় পেয়েছে মাত্র ১১টি আসনে। এমন অবস্থায় স্বতন্ত্ররা এক জোট হয়ে বিরোধী দল গঠন করলে কপাল পুড়বে জাপার।

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বতন্ত্ররা যদি জোট করে স্পিকারের কাছে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আবেদন করেন এবং তিনি সেটি গ্রহণ করেন, তাহলে জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল হতে পারবে না। এক্ষেত্রে ৬২টি জন স্বতন্ত্র সদস্য ওই জোটে না থাকলেও কোনো সমস্যা নেই। জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সদস্যদের চেয়ে জোটের সদস্য বেশি হলে তারাই হবে বিরোধী দল। এখন নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোট করেন কিনা, সেটি দেখার বিষয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ বলেন, সংবিধানে বিরোধী দল গঠনের বিষয়ে কিছু বলা নেই। এবার স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন। তারা যদি গ্রুপ বা জোট করে আসে, স্পিকারের কাছে যদি আবেদন করেন, তবে ওই জোট বা গ্রুপই বিরোধী দল হবে, এতে কোনো বাধা নেই।

এর আগে, ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী ১৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে হাজী সেলিমের নেতৃত্বে একটি জোট তৈরি করেছিলেন। সেই জোটকে আনুপাতিক হারে তিনজন সংরক্ষিত নারী সদস্যের কোটাও দেওয়া হয়েছিল। সাড়ে তিন বছর পরে অবশ্য সেই জোটের নেতা হাজী সেলিমসহ বেশিরভাগ সদস্য আওয়ামী লীগে ফিরে যান।

এ ছাড়া ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে ২৫১টি আসনে জয় পেয়েছিল। অন্যদিকে জাসদের নেতৃত্বে কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি পেয়েছিল ১৯টি আসন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছিল ২৫টি আসন। এ ছাড়া জাসদ তিনটি এবং ফ্রিডম পার্টি দুটি আসন পায়। সেসময় ফ্রিডম পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের সমর্থন নিয়ে আ স ম আব্দুর রব সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ