• শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
বেনাপোলে বাংলাটিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা পার্বতীপুরের মৌলভীর ডাঙ্গা শাহী জামে মসজিদে ওয়াকফকৃত জমি থাকলেও নেই সংস্কারে আর্থিক অনুদান ৭৪ ভোটের ৭৩টি তামিমের, হলেন বিসিবি সভাপতি পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও তাঁর স্ত্রীর ফাঁসির রায় মতিঝিলে দিনদুপুরে গুলি করে ‘৬০ লাখ’ টাকা ছিনতাই, টাকার পরিমাণ–উৎস ঘিরে ধোঁয়াশা পল্লবীর শিশুটির বাবার আস্থা ফিরিয়ে দিতে পেরেছি: সংসদে আইনমন্ত্রী পঞ্চগড় সীমান্তে ৬০ ঘণ্টা আটকে ১০ নাগরিক, ৪ জনের আধার কার্ডও নিয়ে গেছে বিএসএফ শরীয়তপুর কারাগারে সাজা শেষে ১৭ বিদেশি বন্দিকে পাঠানো যাচ্ছে না বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ শার্শায় গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চলনবিলাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু, বাম্পার ফলন

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল): চলনবিলাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। পাকা ধানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সোনালি আভা। নতুন ধান গোলায় তোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে কৃষকের ঘরে ঘরে। ভালো ফলনের আশায় নতুন ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।

কৃষি বিভাগ বলছে, অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম থাকায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের নিবিড় পরিচর্যাও ফলনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৯ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩০ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। নমুনা শস্য কর্তনের তথ্য অনুযায়ী, হেক্টরপ্রতি গড় ফলন হয়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৫ টন। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

সরেজমিন হান্ডিয়াল, নিমাইচড়া, ছাইখোলা ও ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন বিল এলাকায় দেখা যায়, কৃষকেরা ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

হান্ডিয়াল ইউনিয়নের হাসুপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল আলিম সুমন বলেন, ‘এ বছর ১৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছি। বিঘাপ্রতি ২৮ থেকে ৩০ মণ ফলন পেয়েছি।’

ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের দাথিয়াকয়ড়াপাড়া গ্রামের কৃষক সাজ্জাক হোসেন জানান, ১২ বিঘা জমিতে চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে চাষ করায় এবং রোগবালাই কম থাকায় উৎপাদন খরচও কম হয়েছে। আশা করছি ভালো লাভ হবে।’

উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, ‘চলতি মৌসুমে কৃষকেরা হাইব্রিড ও উফশী জাতের বোরো ধানের আবাদ করেছেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে ফলন ভালো হয়েছে। ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ জানান, প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে হাইব্রিড ও উফশী জাতের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির কারণে এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

এদিকে, সরকারি পর্যায়ে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে ১ হাজার ৭ টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।-ডেস্ক


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা