• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
Headline
মানানসই হয়নি পুলিশের নতুন পোশাক, শার্ট থাকবে আগের মতো প্যান্ট হবে খাকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৮ প্রবাসী জুলাইযোদ্ধাকে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে রুল ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন বিসিবি ৬৫০ দিলেও কর্মীরা পান ৩০০ টাকা, দুর্নীতি দেখে ক্ষুব্ধ তামিম সাত দিনের প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন ১০০ শিক্ষক, তালিকা প্রকাশ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপির সংরক্ষিত নারী এমপিদের শ্রদ্ধা বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা প্রতি মাসে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে পাবেন: কৃষিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আলোচনায় অচলাবস্থা, বিরক্ত হয়ে ইরানকে খেপাতে ফাঁদ পাতছেন ট্রাম্প আগামীকাল বেইজিং সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী: চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ডিজিটাল আসক্তি থেকে মুক্তির ৬ উপায়

Reporter Name / ২ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল):সকালের শুরুটা এখন অনেকের জন্য একই— ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে ফোন, তারপর মেসেজ, নোটিফিকেশন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তহীন স্ক্রল। দিন শেষে চোখ জ্বালা, মাথা ভার আর এক ধরনের অকারণ অস্থিরতা। আধুনিক জীবনের এই নীরব সমস্যাটির নামই ‘ডিজিটাল ক্লান্তি’।

কাজ, বিনোদন ও যোগাযোগ— সবকিছুই যখন স্ক্রিনকেন্দ্রিক, তখন শরীর ও মন দুটোই ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে পড়া অস্বাভাবিক নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রযুক্তি থেকে পুরোপুরি দূরে থাকা বাস্তবসম্মত নয়; তবে কিছু সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে এই ক্লান্তি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

১. দিন শুরু হোক নিজের মতো, স্ক্রিন নয়

ঘুম থেকে উঠেই ফোন ধরার অভ্যাস বদলান। দিনের শুরুতে কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখুন— জানালার আলো উপভোগ করা, হালকা ব্যায়াম বা এক কাপ চা। এতে মন শান্ত থাকে এবং দিনটাও ইতিবাচকভাবে শুরু হয়।

২. কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি, বড় স্বস্তি

দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখ ও মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। তাই প্রতি ৩০–৪০ মিনিট পর কয়েক মিনিট বিরতি নিন। চোখকে বিশ্রাম দিন, একটু হাঁটাহাঁটি করুন— দেখবেন কাজের মনোযোগও বাড়ছে।

৩. নোটিফিকেশন নয়, নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। বারবার ফোন চেক করার প্রবণতা কমলে মনোযোগ বাড়বে এবং অকারণ মানসিক চাপও কমে যাবে।

৪. ঘুমের আগে স্ক্রিনকে বলুন ‘বিদায়’

ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন। স্ক্রিনের নীল আলো ঘুমের মান নষ্ট করে। এর বদলে বই পড়া বা হালকা গান শোনা আপনার মন ও শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত করবে।

৫. বাস্তব সম্পর্কেই প্রকৃত সংযোগ

অনলাইনের বাইরেও একটি জীবন আছে—পরিবার, বন্ধু আর কাছের মানুষদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই সময়গুলোই আসল প্রশান্তি এনে দেয়।

৬. ‘নো-ডিভাইস’ জোন তৈরি করুন

বিছানা বা ডাইনিং টেবিলের মতো কিছু নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করুন, যেখানে কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে না। এতে জীবনে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য তৈরি হবে।

প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ—এটি অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে সচেতন ব্যবহারই পারে ডিজিটাল আসক্তি কমাতে এবং আমাদের জীবনকে আরও সুস্থ, স্বাভাবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলতে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা