(আজকের দিনকাল):বাংলাদেশ এক্সটেনশন এডুকেশন সার্ভিসেস (বিজ) এর একজন সাধারণ কর্মীর ১৪ বছরের কর্ম জীবনের পাওনাদি না দেওয়ার জন্য বা আর্থসাৎ করার জন্য আদালতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে। আদালতকে জানিয়েছেন। বিজের কোন ঋণ কার্যক্রম নেই। জনাব সাইফুল ইসলাম কোন কর্মী নয়। অথচ সে ১৯৯৭ সালে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার অধিনে গুজিয়া শাখার মাঠ কর্মী হিসেবে নিয়োগ পেয়ে দীর্ঘ ১৪ বছর সুনামে সাথে কর্মরত ছিলেন। গত ২০১০ সাল বিনা দোষে চাকরিচ্যুত করে কর্তৃপক্ষ। তাতে খান্ত হয়নি কর্তৃপক্ষ, সাইফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে হয়রানী মুলক গাজীপুর আদালতে ২ টি মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ ১০ বছর মামলা চালিয়ে অবশেষে মামলা থেকে অব্যাহতি পায় সাইফুল ইসলাম। আদালতের রায়ের পর বাংলাদেশ এক্সটেনশন এডুকেশন সার্ভিসেস (বিজ) এর অফিসে বার বার যেয়ে কোন সমাধান না পেয়ে শুধু হয়রানী হয়। অবশেষে নিরুপায় হয়ে ২০২১ সালে বাংলাদেশ প্রথম শ্রম আদালতে ২টি মামলা দায়ের করে। একটি মামলায় পরিচালক সহ উর্ধতন ৩ কর্মকর্তা নিজ কার্যালয় থেকে গুলশান থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে। আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে ৪ কর্মকর্তাকে জামিন প্রদান করে আদালত। অপর দিকে একটি মামলা স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করে বিজ কর্তৃপক্ষ। মামালাটি হাইকোর্টে বিচারাধীন। অপর একটি মামলা আপীল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

অথচ বাংলাদেশ এক্সটেনশন এডুকেশন বিজ এর ঋণ কার্যক্রম ৬৪ টি জেলা ও সব কয়টি থানায় চলমান,ঋণের সুদের পরিমাণ একবছর লাখে ১৩ হাজার ৫ শ’ টাকা। অফেরত যোগ্য সেবা মুল্য শত করা ১০ টাকা। আবার লাভজনক ডিপিএস ও এফডিয়ার কার্যক্রম চলমান। যা লাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান। অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত সাইফুল ইসলাম যাতে ন্যায় বিচার পায় তাহার জন্য আদালতে কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
Leave a Reply