• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
আমদানি-রফতানি পণ্য খালাসে স্বচ্ছতা আনতে বেনাপোল বন্দরে সংবাদ সম্মেলন দেশের জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ৬–৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা মন্ত্রীর গাজীপুরে ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত দুই শিশুর মৃত্যু রাজধানীর ডেমরায় মোটরসাইকেল ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু কোটি টাকা নিয়ে উধাও এনজিও, দিশেহারা শতাধিক গ্রাহক আন্তর্জাতিক মানের উড়োজাহাজ যোগ করতেই বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি: বিমান প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহে ট্রাকের ধাক্কায় ৩ নারী নিহত ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা আগে বায়তুল মালের চাঁদা প্রদান নাকি বউয়ের চিকিৎসা? জামায়াত এমপি মাসুদকে রাশেদ

ডিজিটাল আসক্তি থেকে মুক্তির ৬ উপায়

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল):সকালের শুরুটা এখন অনেকের জন্য একই— ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে ফোন, তারপর মেসেজ, নোটিফিকেশন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তহীন স্ক্রল। দিন শেষে চোখ জ্বালা, মাথা ভার আর এক ধরনের অকারণ অস্থিরতা। আধুনিক জীবনের এই নীরব সমস্যাটির নামই ‘ডিজিটাল ক্লান্তি’।

কাজ, বিনোদন ও যোগাযোগ— সবকিছুই যখন স্ক্রিনকেন্দ্রিক, তখন শরীর ও মন দুটোই ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে পড়া অস্বাভাবিক নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রযুক্তি থেকে পুরোপুরি দূরে থাকা বাস্তবসম্মত নয়; তবে কিছু সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে এই ক্লান্তি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

১. দিন শুরু হোক নিজের মতো, স্ক্রিন নয়

ঘুম থেকে উঠেই ফোন ধরার অভ্যাস বদলান। দিনের শুরুতে কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখুন— জানালার আলো উপভোগ করা, হালকা ব্যায়াম বা এক কাপ চা। এতে মন শান্ত থাকে এবং দিনটাও ইতিবাচকভাবে শুরু হয়।

২. কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি, বড় স্বস্তি

দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখ ও মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। তাই প্রতি ৩০–৪০ মিনিট পর কয়েক মিনিট বিরতি নিন। চোখকে বিশ্রাম দিন, একটু হাঁটাহাঁটি করুন— দেখবেন কাজের মনোযোগও বাড়ছে।

৩. নোটিফিকেশন নয়, নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। বারবার ফোন চেক করার প্রবণতা কমলে মনোযোগ বাড়বে এবং অকারণ মানসিক চাপও কমে যাবে।

৪. ঘুমের আগে স্ক্রিনকে বলুন ‘বিদায়’

ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন। স্ক্রিনের নীল আলো ঘুমের মান নষ্ট করে। এর বদলে বই পড়া বা হালকা গান শোনা আপনার মন ও শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত করবে।

৫. বাস্তব সম্পর্কেই প্রকৃত সংযোগ

অনলাইনের বাইরেও একটি জীবন আছে—পরিবার, বন্ধু আর কাছের মানুষদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই সময়গুলোই আসল প্রশান্তি এনে দেয়।

৬. ‘নো-ডিভাইস’ জোন তৈরি করুন

বিছানা বা ডাইনিং টেবিলের মতো কিছু নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করুন, যেখানে কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে না। এতে জীবনে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য তৈরি হবে।

প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ—এটি অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে সচেতন ব্যবহারই পারে ডিজিটাল আসক্তি কমাতে এবং আমাদের জীবনকে আরও সুস্থ, স্বাভাবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলতে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা