• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
আমদানি-রফতানি পণ্য খালাসে স্বচ্ছতা আনতে বেনাপোল বন্দরে সংবাদ সম্মেলন দেশের জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ৬–৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা মন্ত্রীর গাজীপুরে ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত দুই শিশুর মৃত্যু রাজধানীর ডেমরায় মোটরসাইকেল ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু কোটি টাকা নিয়ে উধাও এনজিও, দিশেহারা শতাধিক গ্রাহক আন্তর্জাতিক মানের উড়োজাহাজ যোগ করতেই বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি: বিমান প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহে ট্রাকের ধাক্কায় ৩ নারী নিহত ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা আগে বায়তুল মালের চাঁদা প্রদান নাকি বউয়ের চিকিৎসা? জামায়াত এমপি মাসুদকে রাশেদ

বেবিচক চেয়ারম্যান,থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় স্বাধীন চুক্তি হবে

Reporter Name / ৩ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল):নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হলেও চালু হয়নি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল। জাপানের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তির প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
প্রশ্ন : থার্ড টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে এবং এই চুক্তির শর্তগুলো কতটা স্বচ্ছ? বিশেষ করে ‘ইনডিপেন্ডেন্ট’ বা স্বাধীন চুক্তির যে কথা বলা হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা আর্থিক স্বার্থ কতটুকু সুরক্ষিত?

বেবিচক চেয়ারম্যান : দেখুন, এটি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। যখন আমরা আন্তর্জাতিক কোনো কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তিতে যাই, তখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয় দেশের স্বার্থরক্ষা করা। আমি আমার দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এই চুক্তিটি সম্পূর্ণ ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ থাকবে।

অনেকে আশঙ্কা করছেন, হয়তো এমন কোনো লুকানো শর্ত (ক্লজ) আছে, যা আমাদের হাত-পা বেঁধে দেবে- আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, তেমন কোনো সুযোগ আমরা রাখছি না।

গত ৯ মাস ধরে আমি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। আমরা জাপানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে অন্তত ৯ বার প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব (প্রপোজাল অ্যান্ড কাউন্টার-প্রপোজাল) বিনিময় করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট- যদি এক সেন্টও আমাদের বেশি প্রফিট হয়, আমরা সেই সুযোগ ছাড়ব না। নেগোসিয়েশন এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। কারণ কিছু কিছু জায়গায় আমরা এখনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। তবে তাদের এবং আমাদের মাঝের গ্যাপগুলো ক্রমশ কমে আসছে। আমরা আশা করছি, একটি সফল এবং লাভজনক চুক্তিতে শিগগিরই পৌঁছাতে পারব।

এই চুক্তিটি সম্পাদন হতে কতদিন সময় লাগতে পারে এবং থার্ড টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে কবে চালু হবে?
চুক্তিটির লিখিত প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় ৮১ দিন সময় লাগতে পারে। চুক্তি হওয়ার পর অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড টেস্টিং (ওআরএটি) বা সফলভাবে পরীক্ষার জন্য ৬ মাস থেকে ১ বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে।
এই প্রকল্পের জন্য যে ঋণ নেওয়া হয়েছে, তা পরিশোধের প্রক্রিয়া এবং কিস্তির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলুন। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা। ২০২৬ সালের জুনের ২৭ তারিখ থেকেই আমাদের প্রথম কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে। ২০৫৬ সাল পর্যন্ত এই ঋণের কিস্তি চলবে। আগে ২০২৩ সাল থেকে ২০৫৩ সাল ছিল। তিন বছর বাড়ানো হয়েছে। আর বাড়বে না। বছরে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকার একটি কিস্তি আমাদের পরিশোধ করতে হবে, যা বছরভেদে কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। আমরা এই পুরো পরিকল্পনাটি এমনভাবে সাজিয়েছি যাতে সিভিল অ্যাভিয়েশন বা দেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না হয়। আমরা যখন পূর্ণাঙ্গ অপারেশনে যাব, তখন এখান থেকে যে রেভিনিউ জেনারেট হবে, তা দিয়েই এই ঋণ পরিশোধ সহজ হবে।

থার্ড টার্মিনাল চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর চালুর কথা শোনা যাচ্ছে, কারিগরি দিক থেকে এটি কতটা সম্ভব? অপারেশন শুরু করতে দেরি হওয়ার কারণ কী?
বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় আবেগের জায়গা। সেই দিনে গ্রাউন্ড ওপেনিং করতে চান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। সেই তারিখ কেন্দ্র করে গ্র্যান্ড ওপেনিং করার একটি পরিকল্পনা আমাদের আছে এবং আমরা সেই লাইনেই কাজ করছি। কিন্তু অ্যাভিয়েশন খাতে আবেগ এবং কারিগরি বাস্তবতা এক নয়। একটি টার্মিনাল ভবন তৈরি করা আর সেটি অপারেশনাল করা দুটি ভিন্ন বিষয়। এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আছে যাকে আমরা বলি- ওআরএটি (অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার)।

একটি নতুন সিস্টেমে যাওয়ার আগে আমাদের নিশ্চিত হতে হয় যে, সেটি ‘ফুল-প্রুফ’ কি না। প্যাসেঞ্জারের ব্যাগ চেক-ইন থেকে শুরু করে সিকিউরিটি স্ক্যানিং, ইমিগ্রেশন সিস্টেম- সবকিছুই এই টেস্ট রানের অন্তর্ভুক্ত।

আপনাদের একটি পরিসংখ্যান দেই- বিশ্বজুড়ে যখনই পুরোনো এয়ারপোর্ট থেকে নতুন এয়ারপোর্টে শিফট করা হয়, তখন প্রায় ৭৪ শতাংশ ক্ষেত্রে সিস্টেম ফেইল করে। এটি অ্যাভিয়েশন এক্সপার্টদের দেওয়া তথ্য। আমরা চাই না বাংলাদেশ সেই ৭৪ শতাংশের ভেতরে থাকুক। আমরা যদি তাড়াহুড়ো করে কোনো সিস্টেম চালু করি এবং সেখানে গিয়ে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন, তবে তা হবে আমাদের জন্য বড় ব্যর্থতা। তাই চুক্তি সই হওয়ার পর অন্তত ৬ মাস থেকে ১ বছর সময় প্রয়োজন হয় পূর্ণাঙ্গ রান-আপের জন্য। আমরা ১৬ ডিসেম্বর টার্গেট করছি, তবে নিরাপত্তা ও সেবার মানে কোনো আপস করব না।

গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নিয়ে একটি দীর্ঘকালীন বিতর্ক আছে। বিমানের একচেটিয়া আধিপত্য কি এখানেও বজায় থাকবে?
এই জায়গাটিতে আমরা একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগে সিদ্ধান্ত ছিল বিমান দুই বছর এককভাবে কাজ করবে এবং তাদের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে। কিন্তু এখন আমরা সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, থার্ড টার্মিনালে বিমানের পাশাপাশি আরেকটি আন্তর্জাতিক মানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার থাকবে।
এটি করার প্রধান কারণ হলো প্রতিযোগিতা। যখন বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে, তখন সেবার মান স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে। যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। জাপানি প্রতিষ্ঠান সুমিতোমো এখানে লিড দেবে। দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলারও তারা ঠিক করবে।

সুমিতোমোর সেই অভিজ্ঞতা আছে কি না?
তারা (সুমিতোমো) মঙ্গোলিয়াসহ বিশ্বের অনেক নামকরা এয়ারপোর্ট সফলভাবে পরিচালনা করছে। তাই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি আধুনিক এবং দক্ষ সেবা প্রত্যাশা করছি।

থার্ড টার্মিনালের ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যার সমাধান কতটুকু হলো?
দেখুন, কাজ চলাকালে বা মেইনটেন্যান্সের সময় কিছু ছোটখাটো বিষয় সামনে আসতেই পারে। ইন্টারনেট বা ওয়াইফাই সংযোগের যে বিষয়টি আপনারা শুনেছেন, সেটি আসলে ‘ভাঙা’ নয়, সেটি হলো ‘ইনস্টলেশন’। টার্মিনালটি মূলত মেটাল স্ট্রাকচারের। মেটাল স্ট্রাকচারে সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত হয়। তাই আমরা সিলিংয়ের ভেতর দিয়ে অতিরিক্ত রাউটার ও রিলে বক্স বসাচ্ছি, যাতে কাভারেজ সব জায়গায় সমান থাকে। এর জন্য পুরো ইনফ্রাস্ট্রাকচার পরিবর্তন করতে হচ্ছে না, শুধু নেটওয়ার্ক স্ট্রেন্থ বাড়ানোর কাজ চলছে।

থার্ড টার্মিনাল নির্মাণে অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ এবং দুর্নীতির বিষয়ে কোনো তদন্ত হবে কি?
নির্মাণব্যয় বা এই সংক্রান্ত কোনো তদন্ত সম্পর্কে আপাতত আমার কাছে কোনো বিশেষ স্টাডি বা তথ্য নেই। তবে যদি কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য পাওয়া যায়, তবে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত বিভাগ তা দেখবে।

মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য আপনাদের বিশেষ কী পরিকল্পনা আছে?
আমরা চাই যাত্রীরা যেন ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ পায়। প্রতিটি মোবাইল অপারেটরের জন্য আলাদা আলাদা বুথ বা এন্টেনা না করে আমরা একটি অ্যাক্টিভ ডিএএস (ডিস্ট্র্রিবিউটেড এন্টেনা সিস্টেম) চালু করছি। সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটক এখানে বেসিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করবে এবং গ্রামীণফোন, রবি বা বাংলালিংক- সবাই সেই সিস্টেম ব্যবহার করে তাদের গ্রাহকদের সেবা দেবে। এতে টার্মিনালের সৌন্দর্য যেমন রক্ষা পাবে, তেমনি কারিগরি জটও কমবে। এখন সরকার ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার করে এরকম একটা ইনফ্রাস্ট্রাকচার করেছে, এখান থেকে যদি আর্ন করতে হয় কিছুটা প্রফিট তো তাদের সরকারকে দিতেই হবে। টেলিটক এটার ভায়া হয়ে কাজ করছে। টেলিটকের সঙ্গে আমাদের একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে, তারা আমাদের ভায়া হয়ে অন্য অপারেটরদের সঙ্গে কাজ করছে। অন্য নেটওয়ার্ক অপারেটরদের যেহেতু কোনো ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল কাজ হচ্ছে না, তাই তারা টেলিটককে পে করবে। ইন্টারন্যালি টেলিটক আমাদের পে করবে- এটাই হচ্ছে সলিউশন।

আইকাও অডিট এবং ক্যাটাগরি উন্নীত করার বিষয়ে বর্তমান পরিস্থিতি কী? বিশেষ করে নিউইয়র্ক ফ্লাইট শুরু করার জন্য যে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) অডিট প্রয়োজন, সেটি কতদূর?
আইকাও অডিট আমাদের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। আমাদের সর্বশেষ অডিট হয়েছিল ২০১৮ সালে, সেখানে আমরা বেঞ্চমার্কের ওপরে স্কোর করেছিলাম। এবারের অডিটটি আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। আমাদের লক্ষ্য এবার ৭৫ শতাংশ বা তার বেশি স্কোর করা। এ জন্য আমরা কনসালট্যান্ট নিয়োগ করেছি এবং আমাদের জনবল প্রশিক্ষণ দিচ্ছি।

নিউইয়র্ক ফ্লাইটের বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন। এফএএ-এর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। তবে এটি শুধু এয়ারপোর্টের বিষয় নয়, এটি এয়ারলাইন্স এবং সামগ্রিক নিরাপত্তার একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। নতুন বোয়িং ক্রয়ের ডিল হলে এবং আমাদের ক্যাটাগরি উন্নীত হলে নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু করা সহজ হবে।

দেশের অব্যবহৃত অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলো, বিশেষ করে বগুড়া বিমানবন্দর সচল করার বিষয়ে আপনার কী পরিকল্পনা?
আমাদের বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক এবং পাঁচটি ডোমেস্টিক এয়ারপোর্ট সচল আছে। এর বাইরেও অনেকগুলো এয়ারফিল্ড পড়ে আছে। আমরা মন্ত্রণালয়ে আটটি বিমানবন্দর সচল করার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও প্রস্তাব পাঠিয়েছি। বগুড়া আমাদের তালিকার টপ প্রায়োরিটিতে আছে। বগুড়ার জন্য আমরা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) স্টাডি করার প্রস্তাব দিয়েছি। তারা রানওয়ের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং কারিগরি উপযোগিতা যাচাই করে আমাদের রিপোর্ট দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা দেখব সেখানে কতটুকু ইনভেস্টমেন্ট প্রয়োজন এবং এর ইউটিলিটি কেমন হবে। আমরা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাব, তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও এবং ঈশ্বরদী বিমানবন্দরগুলো নিয়েও আমাদের কাজ চলছে। তবে এটি একটি বিশাল আর্থিক ব্যয়ের ব্যাপার, তাই পর্যায়ক্রমে আমরা এগোব।

সিভিল অ্যাভিয়েশনের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, দুদকে তদন্ত চলমান আছে, এ বিষয়ে আপনার অবস্থান কী?
আমার অবস্থান খুবই স্পষ্ট- আইন সবার জন্য সমান। যদি নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আসে, তবে আমাদের নিজস্ব তদন্ত বিভাগ সেটি খতিয়ে দেখবে। রাষ্ট্রীয় অন্য কোনো সংস্থা তদন্ত করতে চাইলেও আমাদের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে। আমরা একটি জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি কাজের স্বচ্ছতা থাকবে।

দীর্ঘ সময় ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় থার্ড টার্মিনালের যন্ত্রপাতিগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সেই বিষয়ে বলেন।
অনেকের ধারণা ছিল টার্মিনালটি চালু না হওয়ায় যন্ত্রপাতিগুলো অবহেলায় পড়ে আছে। অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম (এডিসি) বর্তমানেও তাদের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। গত সপ্তাহের মিটিংয়েও এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। জাপানি কনসোর্টিয়াম তাদের নিজস্ব খরচে এই বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাবে। তারা মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করেছে যে, ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত তারা এই মেইনটেন্যান্স সাপোর্ট অব্যাহত রাখবে।-ডেস্ক


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা