• সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
Headline
বেগমগঞ্জে জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক পরিচয় নয়, ব্যক্তি হিসেবে দেখতে হবে-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণা, আদালতে অর্থদণ্ড হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ,গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা: ৪১ ভোটকেন্দ্রের টাকা নয়ছয় সিরাজগঞ্জে উল্লাপাড়ায় দুগ্ধ সমিতির সাবেক ম্যানেজারকে কুপিয়ে হত্যা নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কে কভার ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২ ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি: ট্রাম্প হাসিনার পরামর্শে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে মমতাকে হারানো হয়েছে: কর্নেল অলি বিএনপি জুলাই সনদ নিজেদের মতো করে বাস্তবায়ন করতে চায়: গোলাম পরওয়ার

এসএসসি পরীক্ষায় মেয়ের উত্তরপত্র লিখে দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে

Reporter Name / ০ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

­(আজকের দিনকাল): যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী সন্তানকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজন হলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন। আজ শনিবার শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাঁদের আটক করা হয় এবং রাতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। সে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

অভিযোগ উঠেছে, গত ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে গোপনে তাঁর মেয়ের উত্তরপত্রটি সংগ্রহ করেন। পরে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় তা জমা দেন।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন। প্রাথমিক তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ মেলায় তাঁদের দুজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান বলেন, ‘তদন্তে অনৈতিক সহযোগিতার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে আমি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছি। পরীক্ষাকেন্দ্রের পবিত্রতা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না।’

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, শুক্রবার রাতেই ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের শনিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা