• সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
Headline
বেগমগঞ্জে জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক পরিচয় নয়, ব্যক্তি হিসেবে দেখতে হবে-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণা, আদালতে অর্থদণ্ড হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ,গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা: ৪১ ভোটকেন্দ্রের টাকা নয়ছয় সিরাজগঞ্জে উল্লাপাড়ায় দুগ্ধ সমিতির সাবেক ম্যানেজারকে কুপিয়ে হত্যা নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কে কভার ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২ ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি: ট্রাম্প হাসিনার পরামর্শে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে মমতাকে হারানো হয়েছে: কর্নেল অলি বিএনপি জুলাই সনদ নিজেদের মতো করে বাস্তবায়ন করতে চায়: গোলাম পরওয়ার

অ্যাগ্রো প্রজেক্ট খুলে ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ১

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল): রাজধানীতে অ্যাগ্রো প্রজেক্ট খুলে প্রতারণার মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকার বাসাবো এলাকা থেকে আজ মঙ্গলবার মো. ওবায়েদুল্লাহ (৩৩) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর ১৪টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়ারও দাবি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, ‘নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প খুলে বেশি লাভের আশা দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চক্রটি বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তারা বলেছিল, ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা লাভসহ আসলের সমপরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ৩৩ মাসে বিনিয়োগকৃত মূলধন দ্বিগুণ হবে।

প্রতারণার অভিযোগে করা একটি মামলার প্রসঙ্গ টেনে সিআইডি জানায়, ২০২৩ সালের মে মাসে তিনজন কুড়িল এলাকায় ‘নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্টের’ অফিসে গিয়ে ১৭ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। প্রথম দিকে লাভের ৪২ হাজার টাকা ফেরত পেয়ে একই বছরের জুলাই মাসে তাঁরা আরও ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরে প্রতারক চক্রের সদস্যরা তিনজনকে ‘বাধ্যতামূলকভাবে প্রজেক্টে প্লট ক্রয়ের কথা বলে’ মোট ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জমা করান। সেখান থেকে তাঁরা লভ্যাংশ হিসেবে ১৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা পান। পরে লেনদেন ও অফিস বন্ধ করে চক্রের সদস্যরা আত্মগোপনে যান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি দাবি করেছে, চক্রটি একই কৌশলে অনেক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত চারটি ব্যাংক হিসাব, মানি রিসিপ্ট পর্যালোচনা এবং অফিসের সার্ভারে থাকা তথ্যানুযায়ী বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতারণার অভিযোগ ও মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়েদুল্লাহর অবস্থান শনাক্ত করে বাসাবো থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারা, উত্তরা পশ্চিম ও সাভার থানায় তিনটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে গত বছরের মে মাসে প্রায় ১৫ হাজার ব্যক্তির কাছ থেকে ৮০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছিল প্রতারক চক্রটির বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।-ডেস্ক


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা