• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
Headline
মোহাম্মাদপুরে সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছিলাম, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চুরি হয়ে গেছে: ববি হাজ্জাজ যশোরে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণসহ দুই পাচারকারী আটক মুন্সীগঞ্জের ফুলদী নদীতে সেতুর আশ্বাস, গজারিয়ায় উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন মির্জা ফখরুল বেনজীরকে ফেরাতে দুবাইয়ে প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৬ দিনের সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যা থাকছে সফরসূচিতে বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ, সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের বেনাপোলে বাংলাটিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা পার্বতীপুরের মৌলভীর ডাঙ্গা শাহী জামে মসজিদে ওয়াকফকৃত জমি থাকলেও নেই সংস্কারে আর্থিক অনুদান ৭৪ ভোটের ৭৩টি তামিমের, হলেন বিসিবি সভাপতি পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও তাঁর স্ত্রীর ফাঁসির রায়

চীনের সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল):দুর্নীতির অভিযোগে চীনের সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছেন দেশটির একটি সামরিক আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

এই বিষয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও তা দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, দুই বছর পর তাঁদের সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হবে এবং তাঁরা কোনো ধরনের সাজা হ্রাস বা প্যারোলের সুযোগ পাবেন না।

আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ব্যক্তিগত সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

চীনের সামরিক বাহিনীতে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের মধ্যেই এই রায় এল। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে পদচ্যুত করা হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, ওয়েই ফেংহে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০২৩ সালের মার্চে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন লি শাংফু। তবে লির মেয়াদ ছিল খুবই স্বল্প সময়ের। ২০২৩ সালের আগস্টে জনসমক্ষে হঠাৎ অনুপস্থিত হয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাঁকে অপসারণের গুঞ্জন শুরু হয়। পরে ওই বছরের অক্টোবরে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সিনহুয়ার আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, লি শাংফুর বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ ও অন্যদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ছিল। তদন্তে আরও উঠে আসে, রাজনৈতিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি শাংফু। তিনি নিজের ও অন্যদের ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

অন্যদিকে, ওয়েই ফেংহের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে শুরু হওয়া তদন্তেও অভিযোগ ওঠে, তিনি বিপুল অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং বিভিন্ন নিয়োগ ও পদায়নে অন্যদের অবৈধ সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন। ওই সময় দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ঝাং ইউশিয়াকেও সরিয়ে দেওয়া হয়।

শি চিনপিং বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনী ‘বিপ্লবী ধাঁচের শুদ্ধিকরণের’ মধ্য দিয়ে গেছে।

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শি চিনপিং ধারাবাহিকভাবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরাতেও এই অভিযানকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা