খন্দকার সুদীপ্ত হাবিব, (আজকের দিনকাল):দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলাধীন খাগড়াবন্দ গ্রামের মৌলভীর ডাঙ্গা শাহী জামে মসজিদের অনুকূলে ১৮ শতাংশ জমি ওয়াকফ থাকলেও নেই সংস্কার কাজের আর্থিক অনুদান। মসজিদটির সংস্কার ও আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়, জেলা পরিষদ প্রশাসক এবং দিনাজপুর -৫ আসনের মাননীয় সাংসদ সদস্য সহ ধর্মপ্রান দানশীল ঈমানদার ব্যাক্তি / প্রতিষঠানের নিকট সহযোগিতার হস্ত সম্প্রসারনের আহবান জানিয়েছেন মসজিদ পরিচালনা উন্নয়ন কমিটি। জানা গেছে ২০০১ সালে উপজেলার ১০নং হরিরামপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড খাগড়াবন্দ মৌলভীর ডাঙ্গা শাহী জামে মসজিদ টি স্হাপিত হলেও আর্থিক সংকট এবং সরকারি বরাদ্দ না পাওয়ার কারণে সংস্কার সহ আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি। মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম সৈয়দ মৌঃ শাহজাহান আলী মসজিদের অনুকূলে ১৮ শতাংশ জমি ওয়াকফ করে দিয়েছেন, মসজিদের পার্শ্বেই রয়েছে মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এই বিদ্যালয়ের জমি দাতাও তিনি। সরকারি ভাবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একবার বরাদ্দ আসলেও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতাদের দ্বারা পরিচালিত বরাদ্দ তাদেরই পকেটস্থ হওয়ায় আর্থিক অনুদান আলোর মুখ দেখেনি। ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিনিয়র শিক্ষক এন্তাজুল হক জানান, আমরা অনুদানের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে মসজিদের তালিকা মাননীয় সাংসদ সদস্যর নিকট স্বচ্ছতার আলোকে জন গুরুত্ব বিবেচনায় পাঠিয়েছি সেখানে এ-ই মসজিদটির নাম রয়েছে । পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য আখেরুজ্জামান নিখিল বলেন, মসজিদের অনুকূলে ওয়াকফকৃত জমি থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনে ও মসজিদ উন্নয়নে বরাদ্দ না পাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার এইচ আর হাবিব জানান, মহল্যাবাসী কে নিয়ে ইটের তৈরি এবং টিনের ছাউনিতে ইবাদতের পবিত্র ঘরটির কিছু অতি প্রয়োজনীয় ছোট কাজ চলমান আছে, মুলতঃ সমস্যা হচ্ছে মুসল্লী গন দরিদ্র হওয়ায় তাদের পক্ষে ঈমাম মুয়াজ্জিনের বেতন প্রদানই কষ্ট সাধ্য। তবে মসজিদের অনুকূলে যথেষ্ট পরিমাণ নিস্কন্টন জমি যেহেতু রয়েছে নিশ্চয়ই মহান আল্লাহর রহমতে আধুনিকায়ন ও শোভাবর্ধনে আমরা আর্থিক সহায়তার দাবিদার। যার সহযোগিতার হাত যতো সম্প্রসারিত তাঁর মানসিকতা ততো উন্নত – এই প্রয়াস কে সামনে রেখে মসজিদ উন্নয়নে আমাদের পথচলা । শাহী জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন জহুরুল ইসলাম জানান টিন শিটের ঘর হওয়ায় এবং উপরে ছাদের ব্যবস্হা না থাকায় তীব্র শীত ও অসহনীয় গরম নামাজিদের জন্য অসস্হিকর। জেলা পরিষদ প্রশাসক মহোদয়, মাননীয় সাংসদ সদস্য সহ সহায়তায় আগ্রহীদের শুভ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।