• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
Headline
বিচারপতি খায়রুলের জামিন বহাল, ‘মুক্তিতে বাধা নেই’ র‍্যাব বিলুপ্ত করে হচ্ছে এসআরবি,আইনের খসড়া অনুমোদন শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়া কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর, দুই ধাপে হবে বাস্তবায়ন ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া চলছে: চিফ প্রসিকিউটর আওয়ামী লীগের সব বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত: রাশেদ খান প্রাথমিকে ইংরেজিতে স্পিকিং টেস্ট চালুর পরিকল্পনা-ববি হাজ্জাজ শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে, বিক্ষোভ ‘ভারতের মুখের ওপর এমন জবাব এই প্রথম’

খামেনি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেব, বলল ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ

Reporter Name / ২১ Time View
Update : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

(আজকের দিনকাল): ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ বলেছে, দেশটির নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনি এবং ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের নির্দেশদাতাদের যথাযথ সময়ে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। খামেনির জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতির মধ্যেই এ ঘোষণা এলো।

বুধবার এক বিবৃতিতে পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর বলেন, ‘শহীদ নেতার বিদায়ের মুহূর্তে তার মুষ্টিবদ্ধ হাত ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতির এক স্থায়ী প্রতীক হয়ে থাকবে।’

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক এই কমান্ডার গত ২৪ মার্চ পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় পরিষদের তৎকালীন সচিব আলী লারিজানি নিহত হওয়ার পর তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জোলকাদর বলেন, ‘মহান খামেনি এবং ইরানের নির্যাতিত শহীদদের পবিত্র রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়টি এখনো খোলা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং যারা এর নির্দেশ দিয়েছে, তারা খুব শিগগিরই উপযুক্ত সময়ে ন্যায্য শাস্তির মুখোমুখি হবে। এই শাস্তি কার্যকর করবে সৎ ও ন্যায়পরায়ণ শক্তি।’

এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল বলেছে, ইরানি জাতির মনোবল ভেঙে দেওয়ার উদ্দেশ্যে শত্রুরা এই ‘জঘন্য অপরাধ’ সংঘটিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তারা বুঝতে পারেনি যে নেতার শাহাদাতই প্রতিরোধের নতুন প্রেরণা এবং বিজয়ের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠবে।’

গার্ডিয়ান কাউন্সিল খামেনির জানাজাকে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার দৃঢ়তা ও স্থিতিশীলতার ইতিহাসে একটি ‘ঐতিহাসিক মোড়’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের ভাষ্য, মহান নেতার পবিত্র রক্ত চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত সত্যের পথ আলোকিত করবে এবং শত্রুপক্ষকে আরও হতাশ করবে।

কাউন্সিল ইরানের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় জানাজার শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এতে জাতি ও ইসলামি বিপ্লবের মধ্যকার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক আবারও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এটি শুধু একটি শোকানুষ্ঠান নয়। এটি এমন একটি জাতির বিশ্বাস ও আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে নেতার দিকনির্দেশনায় মর্যাদা ও প্রতিরোধের পথ অনুসরণ করে এসেছে।

এই মহাসমাবেশ ইরানের শক্তির প্রতীক এবং বিপ্লবের আদর্শের প্রতি আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত করার একটি সুযোগ।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা