(আজকের দিনকাল): ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাইদের ছুরিকাঘাতে ভাই শ্যামল বিশ্বাস (২৫) নিহত হয়েছে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের মা মিনতি বিশ্বাস।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শ্যামল বিশ্বাসের (২৫) মৃত্যু হয়।
নিহত শ্যামল বিশ্বাস ওই গ্ৰামের রাজেশ্বর বিশ্বাসের ছেলে।
এর আগে ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের খাটরা গ্রামে নারকেল পাড়া নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ভাই শ্যামল বিশ্বাস ও তার মাকে কুপিয়ে জখম করে। গ্রামবাসী মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
আহত মিনতি বিশ্বাস বলেন, দুপুরের দিকে আমার ছেলে শ্যামল বিশ্বাস আমাদের গাছের নারিকেল পাড়তে গাছে উঠে। তখন আমার ভাসুর ও তার ছেলেরা ছুরি হাতে নিয়ে আমার ছেলেকে কুপাতে থাকে। আমি ছেলেকে বাঁচাতে গেলে আমাকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছু দিন ধরেই ওরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। আজ নারকেল পাড়ার সময় ওরা সব কয় ভাই মিলে আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করে।
নিয়তের বোন দাবি করেন, আমার ভাইকে আমার চাচাত ভাইয়েরা ও চাচা মিলে ছুরি মেরে হত্যা করেছে। আমি এদের ফাঁসি চাই।
ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বাড়ির সীমানার মাঝখানে একটি নারিকেল গাছ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আজ বিকালে শ্যামল বিশ্বাস ওই নারিকেল গাছ থেকে নারিকেল পারছিল। এ সময় তাদেরই আপন চাচাতো ভাই নিখিল বিশ্বাস বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে নিখিল বিশ্বাস ও তার ভাইয়েরা মিলে তাকে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় শ্যামল বিশ্বাসের মা মিনতি বিশ্বাস গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করে। সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শ্যামল বিশ্বাসের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভাঙ্গা থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঘাতকদের আটকের জন্য ইতোমধ্যেই পুলিশ মাঠে কাজ করছে।-ডেস্ক
Leave a Reply