• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
Headline
পদ্মা ব্যারাজ কোথায় ও কেন নির্মাণ করা হবে? বাউফল থেকে নিখোঁজ ৪ কিশোরী চার দিন পর গাজীপুর থেকে উদ্ধার ওমানে একসঙ্গে বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার একনেকে অনুমোদন পেলো ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প হাজী সেলিমের ২০ বছরের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল ঢাকা জেলা প্রশাসন পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, সম্পাদক শামীমা গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই: ‎জামায়াত এমপির ভাগ্নে কারাগারে প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বেনাপোলে ফুটপাতের ডিম বিক্রেতাতার মরা দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ গৃহবধূকে ধর্ষণ-ভিডিও ধারণের অভিযোগ, বিদেশে পালানোর সময় যুবক গ্রেপ্তার

চলনবিলাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু, বাম্পার ফলন

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল): চলনবিলাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। পাকা ধানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সোনালি আভা। নতুন ধান গোলায় তোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে কৃষকের ঘরে ঘরে। ভালো ফলনের আশায় নতুন ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।

কৃষি বিভাগ বলছে, অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম থাকায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের নিবিড় পরিচর্যাও ফলনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৯ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩০ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। নমুনা শস্য কর্তনের তথ্য অনুযায়ী, হেক্টরপ্রতি গড় ফলন হয়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৫ টন। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

সরেজমিন হান্ডিয়াল, নিমাইচড়া, ছাইখোলা ও ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন বিল এলাকায় দেখা যায়, কৃষকেরা ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

হান্ডিয়াল ইউনিয়নের হাসুপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল আলিম সুমন বলেন, ‘এ বছর ১৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছি। বিঘাপ্রতি ২৮ থেকে ৩০ মণ ফলন পেয়েছি।’

ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের দাথিয়াকয়ড়াপাড়া গ্রামের কৃষক সাজ্জাক হোসেন জানান, ১২ বিঘা জমিতে চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে চাষ করায় এবং রোগবালাই কম থাকায় উৎপাদন খরচও কম হয়েছে। আশা করছি ভালো লাভ হবে।’

উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, ‘চলতি মৌসুমে কৃষকেরা হাইব্রিড ও উফশী জাতের বোরো ধানের আবাদ করেছেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে ফলন ভালো হয়েছে। ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ জানান, প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে হাইব্রিড ও উফশী জাতের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির কারণে এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

এদিকে, সরকারি পর্যায়ে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে ১ হাজার ৭ টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।-ডেস্ক


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা