• সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
Headline
তৃতীয় পক্ষ অশান্তি সৃষ্টি করে সরকারবিরোধী ক্ষোভ তৈরির চেষ্টা করছে: বিমানমন্ত্রী গাজীপুরে চারজনকে গলা কেটে, একজনকে শ্বাসরোধে হত্যা: ফরেনসিক বিভাগ পুলিশের জন্য এখনই এভিয়েশন ইউনিট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেগমগঞ্জে জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক পরিচয় নয়, ব্যক্তি হিসেবে দেখতে হবে-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণা, আদালতে অর্থদণ্ড হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ,গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা: ৪১ ভোটকেন্দ্রের টাকা নয়ছয় সিরাজগঞ্জে উল্লাপাড়ায় দুগ্ধ সমিতির সাবেক ম্যানেজারকে কুপিয়ে হত্যা নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কে কভার ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২

বাগেরহাটে নির্বাচন অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে সেবাপ্রার্থী নারীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

(আজকের দিনকাল):বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে সেবাপ্রার্থী এক নারীকে (২০) অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ওই নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত মো. সাইফুল ইসলাম কচুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এবং আসাদুজ্জামান স্কানিং অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট মেইনটেইন অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

ওই নারী জানান, প্রায় দুই মাস আগে ভোটার হওয়ার জন্য কচুয়া নির্বাচন অফিসে আবেদন করেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দাখিল করা নথিপত্র থেকে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন ওই অফিসের কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. আসাদুজ্জামান। নম্বর সংগ্রহের পর থেকে ওই দুই কর্মচারী কাজের অজুহাতে তাঁকে বারবার অফিসে ডাকতেন এবং ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করতেন। একপর্যায়ে কৌশলে ইমো ভিডিও কলের মাধ্যমে তাঁর ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।

ওই নারী বলেন, সাইফুল ও আসাদুজ্জামান তাঁকে ভোটার কার্ড করে দেওয়ার বিনিময়ে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও তাঁর স্বামী ও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে সংসার ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন। এতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তাঁদের চাকরি থেকে অপসারণ দাবি করেন ভুক্তভোগী নারী।

অভিযুক্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কাজের প্রয়োজনে কয়েক দিন কথা বলেছি। ওই মেয়েও আমাকে ফোন করেছে। বারবার কথা হয়েছে। পরে আমি বলেছি, তোমার তো স্বামী-সন্তান আছে, আমাকে ফোন করো কেন।’

কাজের প্রয়োজনে মোবাইলে কথা বলবেন, ইমোতে কেন কথা বললেন—এমন প্রশ্ন করলে সাইফুল বলেন, ‘এটা যদি ভুল হয়, আমি ভুল করেছি। তবে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করিনি।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আসাদুজ্জামানকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

কচুয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যেহেতু ওই নারী আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেননি, তাই আমরা আমাদের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী হাসান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা